কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০১:০০ PM

ak44 bet

কন্টেন্ট: পাতা

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কার্যক্রম:

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫ (২০০৫ সনের ১ নম্বর আইন) এর মাধ্যমে ২০০৫ সনে এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠিত হয়। উক্ত আইনের ১০ ধারায় এনটিআরসিএ-কে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের উদ্দেশ্যে যোগ্য শিক্ষকের তালিকা প্রণয়ন, নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। উক্ত দায়িত্ব সম্পাদনের লক্ষ্যে আইনের ধারা ২১ এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে সরকার ২০০৬ সনে “বেসরকারি শিক্ষক পরীক্ষা গ্রহণ, নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিধিমালা ২০০৬” প্রণয়ন করে। বিধিমালা প্রণয়নের পর হতে ak44 কির আওতায় এনটিআরসিএ দেশের বিপুল সংখ্যক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের নিমিত্ত শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রণয়ন করে নিবন্ধন ও প্রত্যয়নপত্র প্রদান কার্যক্রম শুরু করে। এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ লাভের জন্য প্রার্থীদের যোগ্যতার বাধ্যতামূলক মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতো। এক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি প্রয়োজনীয় পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে প্রার্থীদের নিয়োগ প্রদান করত। পরবর্তীতে সরকার বাস্তবতা বিবেচনা করে ২০১২ সনে বেসরকারি শিক্ষক পরীক্ষা গ্রহণ, নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬ এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধিতে সংশোধন আনয়ন করে। ২০১৫ সন পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকে এবং একইভাবে এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থীর যোগ্যতার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে।

উলিস্নখিত বিধিমালার মাধ্যমে ২০০৫ সাল হতে ০১টি বিশেষ নিবন্ধন পরীক্ষাসহ এ যাবৎ ১৯টি নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। ২০০৬ সালের পরীক্ষা বিধি অনুযায়ী একই দিনে প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পরীক্ষায় প্রার্থীকে পাশের জন্য প্রত্যেক বিষয়ে পৃথকভাবে অন্তত: শতকরা ৪০ নম্বর পেতে হতো। পরবর্তীতে পরীক্ষা বিধিমালা সংশোধনের প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দুইটি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়। ১ম পর্যায়ে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২য় পর্যায়ে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৫ সনে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এক যুগন্তকারী পরিবর্তন সূচিত হয়। ‌এ বছর সরকার এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রত্যাশী প্রার্থীদের নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের পাশাপাশি নিয়োগ সুপারিশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সে লক্ষ্যে ২০১৫ সনে বেসরকারি শিক্ষক পরীক্ষা গ্রহণ, নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬ এ প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে “বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে অনুসরণীয় পদ্ধতি” বিষয়ক একটি পরিপত্র জারি করা হয়। ২০১৫ সনের সংশোধিত বিধিমালায় এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রের মেয়াদ ০৩ (তিন) বছর নির্ধারণ করা হয়। ২০১৭ সাল হতে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ৩টি পর্যায়ে (প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক) অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তৎপরবর্তীতে নিয়োগ সুপারিশের ক্ষেত্রে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরিতে প্রবেশের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বয়সসীমা উত্তীর্ণ হলে উক্ত প্রার্থী নিয়োগ সুপারিশের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ পদ্ধতিতে এনটিআরসিএ কর্তৃক কোন প্রার্থীকে তার চাহিদা ও মেধাক্রম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করা হয় এবং সে অনুসারে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে ক্ষেত্রমত ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি নির্বাচিত প্রার্থী বরাবর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগপত্র জারি করে থাকে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ:

২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬ (সংশোধিত) এর বিধি ৯ এর উপবিধি ২ এর (গ) অনুযায়ী এনটিআরসিএ-এর নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ পদ্ধতি চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধন মৌখিক পরীক্ষা, ২০১৭ হতে চালু করা হয়। মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে প্রার্থী যে বিষয়ে শিক্ষক হতে চান সে বিষয়ে জ্ঞান, প্রকাশ ক্ষমতা, পাঠদানের গুণগতমান, শারীরিক দক্ষতা, মনস্তাত্বিক অবস্থা ও শ্রেণি কক্ষে পাঠদানকালে বিষয়বস্ত্ত উপস্থাপন কৌশল ইত্যাদি যাচাই করা হচ্ছে। এতে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগদানে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হওয়ার পথ সুগম হয়েছে।

২০০৫ সাল হতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার তথ্য ছক:

পরীক্ষা

কেন্দ্র সংখ্যা

বিষয়

মোট আবেদনকারী

মোট অংশগ্রহণকারী

অংশগ্রহণের হার

উত্তীর্ণ

উত্তীর্ণের হার

১ম পরীক্ষা নভেম্বর, ২০০৫

২৩

৭৬,১৮৫

৫৯,০০০

৭৭.৪৪%

৩৩,৭৮৮

৫৭.২৭%

২য় পরীক্ষা সেপ্টেম্বর, ২০০৬

১১২

১,৩১,৭৫৯

৯৯,৮০৭

৭৫.৭৫%

২২,৩৮১

২২.৪২%

৩য় পরীক্ষা সেপ্টেম্বর, ২০০৭

২৪

১১৯

১,১৩,৯৭৫

৮৩,৮৯৯

৭৩.৬১%

১৬,০২০

১৯.০৯%

৪র্থ পরীক্ষা ডিসেম্বর, ২০০৮

২০

৭৮

১,২৭,০৭৪

৯৬,০২৭

৭৫.৫৭%

৩১,০৯৩

৩২.৩৮%

৫ম পরীক্ষা ডিসেম্বর, ২০০৯

২০

৭১

১,৪১,০৮২

১,০২,৩৪৮

৭২.৫৫%

৩৯,২২৫

৩৮.৩৩%

৬ষ্ঠ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা, ২০১০

২০

৭৮

২,৮৩,৩১৪

২,২০,৫১৭

৭৭.৮৩%

৪২,৬৪১

১৯.৩৪%

বিশেষ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা, ২০১০

৭,৭৬৪

৬,৯৩৬

৮৯.৩৪%

১,৩৯৫

২০.১১%

৭ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা, ২০১১

২০

৮০

৩,২১,৩০১

২,৫৯,১১৪

৮০.৬৫%

৫৭,২০৩

২২.০৮%

৮ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা, ২০১২

২০

৮০

৩,১৩,১৪৫

২,৪৮,০০১

৭৯.২০%

৫৬,০৪৬

২২.৬০%

৯ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা, ২০১৩

২০

৮০

৩,১৪,৮৮৭

২,৪২,৪৫১

৭৭.০০%

৭৫,৮৯৮

৩১.৩০%

১০ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা, ২০১৪

২০

৮০

৪,৪১,৯৭৯

৩,৫৬,৯৬২

৮০.৭৬%

১,১৩,২৯৭

৩১.৭৪%

১১তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা, ২০১৪

২০

৮২

৪,৪১,০৭৭

৩,৫৭,৪৭২

৮১.০৫%

৫১,৪০৫

১৪.৩৮%

১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা,২০১৫ (প্রিলিমিনারি)

২০

৫,৩২,৫২২

৪,৮০,৬৭০

৯০.২৬%

৭৫,৯৮৯

১৫.৮১%

১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৫ (লিখিত)

৮২

৬৯,৪৮৫

৬০,৮২৯

৮৭.৫৪%

৪৭,০৩৯

৭৭.৩৩%

১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৬ (প্রিলিমিনারি)

২০

৬,০২,০৩৩

৫,২৭,৭৫৭

৮৭.৬৬%

১,৪৭,২৬২

২৭.৯০%

১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৬ (লিখিত)

৭৭

১,৪৭,২৬২

১,২৭,৬৬৪

৮৬.৬৯%

১৮,৯৭৩

১৪.৮৬%

১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৬ (মৌখিক)

-

৭৭

১৮,৯৭৩

১৮,০০৯

৯৪.৯২%

১৭,২৫৪

৯৫.৮১%

১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৭ (প্রিলিমিনারি)

২০

৯,২৩,৫৫৪

৮,০৬,৬৫০

৮৭.৩৪%

২,০৯,৮৭৫

২৬.০২%

১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৭ (লিখিত)

৮১

২,০৯,৮৭৫

১,৬৬,৩২১

৭৯.২৫%

১৯,৮৬৩

১১.৯৪%

১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৭ (মৌখিক)

-

৮১

১৯,৮৬৩

১৮,৭০৯

৯৪.১৯%

১৮,৩১২

৯৭.৮৮%

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৮ (প্রিলিমিনারি)

২০

৮,৭৬,০৩৩

৭,৪০,৪১৬

৮৪.৫২%

১,৫২,০০০

২০.৫৩%

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৮ (লিখিত)

৮২

১,৫২,০০০

১,২১,৬৬০

৮০.০৪%

১৩,৩৪৫

১০.৯৭%

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৮ (মৌখিক)

-

৮২

১৩,৩৪৫

১২,৯০১

৯৬.৬৭%

১১,১৩০

৮৬.২৭%

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৯ (প্রিলিমিনারি)

২৪

১১,৭৬,১৯৬

৯,৫৯,৭২৭

৮১.৬০%

২,২৮,৭০০

২৩.৮৩%

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৯ (লিখিত)

১০৩

২,২৮,৭০০

১,৫৪,৬৬৫

৬৭.৬৩%

২২,৩৯৮

১৪.৪৮%

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৯ (মৌখিক)

-

১০৩

২২,৩৯৮

২০,১৩১

৮৯.৮৮%

১৮,৫৫০

৯২.১৫%

১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২০ (প্রিলিমিনারি)

২৪

১১,৯৩,৯৭৮

৬,০৮,৪৯২

৫০.৯৬%

১,৫১,৪৩৬

২৪.৮৯%

১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২০ (লিখিত)

১০৪

১,৫১,৪৩৬

১,০৪,৮২৫

৬৯.২২%

২৬,২৪২

২৫.০৩%

১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২০ (মৌখিক)

-

১০৪

২৬,২৪২

২৫,২৪০

৯৬.১৮%

২৩,৯৮৫

৯৫.০৩%

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২৩ (প্রিলিমিনারি)

২৪

১৮,৬৫,৭১৯

১৩,৪০,৮৩৩

৭১.৮৭%

৪,৭৯,৯৮১

৩৫.৮০%

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২৩ (লিখিত)

১০০

৪,৭৯,৯৮১

৩,৪৮,৬৮০

৭২.৬৪%

৮৩,৮৬৫

২৪.০৫%

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২৩ (মৌখিক)-১০০৮৩,৮৬৫৮১,৩৬৮৯৭.০২%৬০,৬৩৪৭৪.৫২%

এনটিআরসিএ কর্তৃক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে ak44 apk download latest versionের তথ্য:

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এন্ট্রি লেভেলের শূন্য পদে ak44 apk download latest versionকরণের জন্য প্রতি বছর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে শূন্য পদের চাহিদা গ্রহণ করা হয়। সে লক্ষ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) শিক্ষকদের শূন্যপদ সংক্রান্ত তথ্য how to play ak44 in bangladeshে সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রথমত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ই-রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও ak44 কি রিয়েল নাকি ফেক অনুযায়ী how to play ak44 in bangladeshে এনটআরসিএ-তে শূন্য পদের চাহিদা প্রেরণ করেন। উক্ত চাহিদার ভিত্তিতে এনটিআরসিএ-এর ওয়েবসাইটে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। উক্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্রধারী প্রার্থীগণ how to play ak44 in bangladeshে আবেদন করে থাকেন। how to play ak44 in bangladesh নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্রধারীর আবেদন প্রাপ্তির পর মেধাক্রম ও চাহিদা অনুযায়ী প্রার্থী নির্বাচনপূর্বক প্রতিষ্ঠান প্রধান ও নির্বাচিত সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে এসএমএসযোগে অবহিত করা হয়।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত how to play ak44 in bangladesh ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্ম AK44 পরিচালিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাইকৃত দক্ষ, যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীগণ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ হতে গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে “বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগে অনুসরণীয় পদ্ধতি” বিষয়ে ২০১৫ সনের জারিকৃত পরিপত্র বাতিল করে পুনরায় পরিপত্র জারি করা হয়। উক্ত পরিপত্রের আলোকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শূন্য পদের চাহিদা সংগ্রহ করে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষক নিবন্ধন ak44 একাউন্ট ভেরিফাই করার নিয়ম প্রকাশ ও জাতীয় মেধা তালিকার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রথম প্রবেশ পর্যায়ের (Entry level) শূন্য পদে প্রার্থী নির্বাচনপূর্বক নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করে। সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১,৭৭,৫৭১ (এক লক্ষ সাতাত্তর হাজার পাঁচশত একাত্তর) জন নিবন্ধনধারীকে বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করা হয়েছে, যার তথ্য নিম্নরূপ:

ক্রমিক নংনিয়োগ বিজ্ঞপ্তিমোট সুপারিশকৃত প্রার্থীর সংখ্যা
১.১ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০১৬১৪,১৬২ জন
২.২য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০১৯৩১,৬৬৫ জন
৩.৩য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০২২৩৫,১২৭ জন
৪.বিশেষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০২২৩,৮১৯ জন
৫.সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ)১,২২২ জন
৬.৪র্থ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০২৩২৭,৮৪৬ জন
৭.৫ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০২৪২২,১০৩ জন
৮.৬ষ্ঠ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০২৫৪১,৬২৭ জন
৯.৭ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)-২০২৬১১,৭১৩ জন

সর্বমোট =

১,৮৯,২৮৪ জন


এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ak44 নগদ উইথড্র করুন